৩০ শে জানুয়ারী : মুহাম্মদ দিদারুল আলম : (মিরসরাই প্রতিনিধি): চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন সময় পুকুর খননের সময় শত বছরের পুরনো নানা উপকরণ পাওয়া গেলেও সর্বশেষ একটি পুকুর খননের সময় পুকুরের গভীরে সন্ধান মেললো হাজার বছরের পুরানো বৃক্ষের। উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের মধ্যম আজমনগর গ্রামের একটি পুকুর খননের সময় সন্ধান পাওয়া এই বৃক্ষ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতুহলের শেষ নেই।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথমদিকে পুরাকীর্তির মত স্থলভাগ হতে ৩৫-৪০ ফুট নিচে পুকুর খননের সময় অক্ষত এই বৃক্ষটি পাওয়া যায়। প্রতিদিন বৃক্ষটি দেখতে ভীড় জমাচ্ছেন গ্রামের মানুষরা। গত একমাস ধরে পুকুর খনন বন্ধ করে গ্রামের উঠতি বয়সী শিক্ষিত তরুণরা বয়োজ্যেষ্ঠদের সাথে কথা বলে সন্ধানকৃত বৃক্ষের রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। শনিবার (২৬ জানুয়ারি) উপজেলার আজমনগর গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি গ্রামের চাঁন মিয়া সওদাগর জামে মসজিদের পুকুরটি খনন করার সময় খনন কাজে নিয়োজিত শ্রমিক আবছার উদ্দিন ও মোহাম্মদ লিটন বৃক্ষটির সন্ধান পান। পরবর্তীতে খনন করতে করতে বৃক্ষটির ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সন্ধান পেয়েছেন। এখনো বৃক্ষের অনেকাংশ মাটিতে আবৃত রয়েছে। আজমনগর গ্রামের দারুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুকুরে পাওয়া বৃক্ষটি নিয়ে আমরা গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছি। তাদের মতে, দুইশত বছর আগে হাসমত আলী পাটোয়ারী নামে এক ব্যবসায়ী পরিবার পরিজন নিয়ে আজমনগর গ্রামে বসবাস শুরু করে। এর পূর্বে এখানে কোন বসতি ছিলনা। তবে ৫’শ বছরের ইতিহাসে কোন নদীর অস্তিত্ব নেই এ এলাকায়।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথমদিকে পুরাকীর্তির মত স্থলভাগ হতে ৩৫-৪০ ফুট নিচে পুকুর খননের সময় অক্ষত এই বৃক্ষটি পাওয়া যায়। প্রতিদিন বৃক্ষটি দেখতে ভীড় জমাচ্ছেন গ্রামের মানুষরা। গত একমাস ধরে পুকুর খনন বন্ধ করে গ্রামের উঠতি বয়সী শিক্ষিত তরুণরা বয়োজ্যেষ্ঠদের সাথে কথা বলে সন্ধানকৃত বৃক্ষের রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। শনিবার (২৬ জানুয়ারি) উপজেলার আজমনগর গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি গ্রামের চাঁন মিয়া সওদাগর জামে মসজিদের পুকুরটি খনন করার সময় খনন কাজে নিয়োজিত শ্রমিক আবছার উদ্দিন ও মোহাম্মদ লিটন বৃক্ষটির সন্ধান পান। পরবর্তীতে খনন করতে করতে বৃক্ষটির ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সন্ধান পেয়েছেন। এখনো বৃক্ষের অনেকাংশ মাটিতে আবৃত রয়েছে। আজমনগর গ্রামের দারুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুকুরে পাওয়া বৃক্ষটি নিয়ে আমরা গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছি। তাদের মতে, দুইশত বছর আগে হাসমত আলী পাটোয়ারী নামে এক ব্যবসায়ী পরিবার পরিজন নিয়ে আজমনগর গ্রামে বসবাস শুরু করে। এর পূর্বে এখানে কোন বসতি ছিলনা। তবে ৫’শ বছরের ইতিহাসে কোন নদীর অস্তিত্ব নেই এ এলাকায়।
আজমনগর গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী নুরু মিয়া জানান, ‘আকৃতি ও অবয়ব দেখে মনে হয়েছে এটি গর্জন গাছ। কারণ গর্জন গাছ হাজার হাজার বছর মাটির নিচে থাকলেও নষ্ট হয়না।’ হিঙ্গুলী ইউনিয়নের বেসরকারী ভূমি সার্ভেয়ার বেলায়েত হোসেন জানান, ‘ভূমির সিএস, আরএস, পিএস ও বিএস খতিয়ানের নকশা ও ৫০০ বছরের নির্দেশনায় এ জায়গায় কোন নদীর চিহ্ন নেই। নদী থাকলে হয়তো এমনটি হওয়ার কথা। এত গভীরে কি করে এ গাছটি এল এটা সত্যি গ্রামের মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে।
গ্রামের ৭০ বছর বয়সী সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাহের আহম্মদ জানান, এ গাছটি পাওয়ার পর গ্রামের স্থানীয়দের কৌতুহলের শেষ নেই। এতবড় গাছ কি করে মাটির এত গভীরে এল এটা সত্যিই অভাবনীয়।
গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ শতবর্ষী নওশা মিয়ার উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘গ্রামের সর্বোচ্চ বয়সী বেঁচে থাকা মানুষ নওশা মিয়া। তাঁর জীবদ্দশায় এবং তাঁর বাবা ও দাদার জীবদ্দশায় তাদের কাছ থেকেও কখনো শোনেননি এখানে কখনো নদী, খাল বা ছরা ছিল।’ হাজার বছর আগে হয়তো কোন নদী কিংবা খাল ছিল নাকি তাদের জানা নেই।
