Tuesday, 7 May 2013

মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলিম পরীক্ষা ও পাঠদান : মিরসরাই লতিফীয়া কামিল মাদ্রাসা ভবনের ছাদের পলেস্তার খসে পড়ছে

মিরসরাই(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মিরসরাই লতিফীয়া কামিল মাদ্রাসায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ছাদের পলেস্তার খসে পড়ছে। পরিত্যক্ত ওই ভবনে প্রতিনিয়ত মরণফাঁদে পরীক্ষা দিচ্ছে আলিম পরীক্ষার্থীরা। ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনে প্রতিনিয়তই আতঙ্কের মাঝে শিক্ষকদের পাঠদান করতে হয়। যেকোন সময় ঝুঁকিপূর্ণ ছাদ ধসে প্রাণহাণীর আশংকা রয়েছে।

Monday, 6 May 2013

মতিঝিলের সহিংসতা ঃ মিরসরাইয়ের এক হেফাজত কর্মী নিহত

মিরসরাই(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধ ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় মিরসরাই উপজেলার হেফাজত ইসলামের এক কর্মী নিহত হয়েছে। নিহত হেফাজত কর্মীর নাম মাওলানা সিহাব উদ্দিন (৬০)। তার গ্রামের বাড়ি মিরসরাই উপজেলার ১৬ নম্বর সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালীতে।

সেনবাগে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

সেনবাগ(নোয়াখালী)সংবাদদাতা :  সেনবাগে ০৬ মে সোমবার সকাল ৯ ঘটিকায় কল্যান্দী কি-ার গার্টেন এর  বার্ষিক ক্রীড়া ও  সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  উক্ত অনুষ্ঠানে কল্যান্দী কি-ার গার্টেন এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো: সাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে হাজী মনির আহম্মেদের সাঞ্চলনায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, (কুয়েত) বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী এসোসিয়েশন, সভাপতি প্রকৌশলী কাজী মঞ্জুরুল আলম, অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, (কুয়েত) বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী এসোসিয়েশন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ কোম্পানীগঞ্জ ১নং সিরাজপুর  ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্যা বিএসি (কুয়েত) বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী এসোসিয়েশন আইন-বিষয়ক সম্পাদক মো: আবুল বাশার মনির,  প্রাক্তন সাব- ইন্সেপেক্টর রফিকুল ইসলাম, রুহল আমিন বিএসি, সামাজিক ব্যক্তিত্ব শরিয়ত উল্যা, ডা: মজিবুল হক,শ্যামল কর্মকার ও কল্যান্দী কি-ার গার্টেনের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকা ,ছাত্রছাত্রী ও অভিবাবক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে  বিভিন্ন বিভাগে পুরুস্কার তুলে দেওয়া হয়। পরে একর্পযায়ে  (কুয়েত) প্রবাসী মহুরুম সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী মমতাজ বেগমের হাতে আর্থিক সহায়তার অনুদান তুলে দেন (কুয়েত) বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে   সভাপতি প্রকৌশলী কাজী মঞ্জুরুল আলম।

Sunday, 5 May 2013

অন্ধকার দিয়ে অন্ধকার ঢাকা যায়না, আলো দিয়ে অন্ধকার ঢাকতে হয়- --------ওবায়দুল কাদের

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) থেকে- এএইচএম মান্নান মুন্না ঃ যে মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধি কাজ করবে তাদেরকে গনসম্বর্ধনা দেয়ার প্রয়োজন হয়না। তিনি কাজ করবেন এ প্রতিশ্রুতি দিয়েই জনগন থেকে মেন্ডেট নিয়েছেন, আমাকে তোরণ, ফুল ও রোদ-বৃষ্টির মাঝে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকে রাস্তায় লাইনে দাঁড়িয়ে করতালি ও সম্বর্ধনা দিয়ে আমাকে খুশি করার প্রয়োজন নেই। এ সংস্কৃতি আমাদেরকে পরিহার করতে হবে। এখন আমার দায়িত্ব কাজ দিয়ে আপনাদের খুশি করা। আমি আপনাদের দোয়ায় বর্তমান সরকারের শীর্ষ স্থানীয় মন্ত্রীদের মধ্যে একজন স্থান করে নিয়েছি।

সেনবাগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকৌশলীi পরিত্যাক্ত ভবনে অফিস :

সেনবাগ (‡bvqvLvjx) সংবাদদাতা : জেলা প্রশাসকের সিন্ধান্ত হীনতার কারনে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় বিগত তিন বছর ধরে চরম ঝুকিপূর্ন ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে অফিস করছেন সেনবাগ উপেজলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলীসহ তাদের অধিন্ত অর্ধশত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। সিন্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারী দপ্তরের দীর্ঘ সুত্রীতার কারণে সাভার ট্রাজিডির মতো প্রাণহানী ঘটলে এই দায় নিবে কে?
খোজনিয়ে জানাগেছে, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা পরিষদের মালিকানাধীন দুইতলা বিশিষ্ট্য ইউটিডিসি কমপেক্স ভবন নং-১ প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ভবনটির বিভিন্ন পিলার ও ছাঁদে ফাটল দেখা দেওয়ায় ভবনটি বিপদজনক হয়ে পড়ে। এই কারণে ২০১১ সালের অক্টোবরে ২৭ তারিখে উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভায় সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা ও উপজেলা প্রকৌশলী মীর হোসেন বিষয়টি উপস্থাপন করলে সর্বসম্মতি ক্রমে ভবনটি ঝুকিপুর্ন বিবেচনা করে এটি পরিত্যাক্ত ঘোষনার জন্য নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটিতে প্রেরণের সিন্ধান্ত গৃহীত হয়। এরেই আলোকে বিগত ২০১১সালের ২১ ডিসেম্বর সেনবাগ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা স্বারক নং-০০.৫৭৬.০১৮.০০.০০.০১৮.২০১১-১৬৬৭মাধ্যমে সেনবাগ উপজেলা পরিষদের মালিকানাধীন ব্যবহার অনুযোগী দুইতলা বিশিষ্ট্য ইউটিডিসি কমপেক্স-১কে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করার জন্য স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ.উপ-১শাখায় স্বারক নং-উপ-২/৩পি-৪৬/২০০২/৩৪২(৪৮১) প্রস্তাবটি প্রাক্কলন ব্যায় হিসাব ও মাসিক সাধারণ সভা( উপজেলা উন্নয়ন সভা) কার্যবিবরনীসহ প্রেরণ করে। কিন্তু দীর্ঘ তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখনো এই বিষয়ে কোন প্রদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

Wednesday, 1 May 2013

মিরসরাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাইয়ের আবুতোরাব-হাসিমনগর-চরশরৎ সড়কে হাদিনগর সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। আশপাশের গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়েই ব্যবহার করছে সেতুটি। যেকোনো সময় ভেঙে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ৪০ বছর আগে নির্মিত সেতুটির মাঝখানের কংক্রিট ও পলেস্তারা খসে পড়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় প্রতিদিন পার হয় ছোট-বড় যানবাহন ও মানুষ।

ফেনী নদী থেকে বালু উত্তোলন : বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি

মিরসরাই(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি : উপজেলার জয়পুর পূর্বজোয়ার গ্রামের ৭০ বছর বয়সী মালতি রায়ের একমাত্র ফসলি জমি ভেঙে আছড়ে পড়ছে ফেনী নদীতে। ৪৮ শতক এই জমিতে গোল আলু আর মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছেন তিনি।
মালতি রায় বললেন, ‘জালিয়াঘাটের বালু ইজারাদার সিন্ডিকেট আমার পাশের জমিগুলো কিনে বালু-মাটি কেটে গভীর গর্ত বানিয়ে দিচ্ছে। ফলে আমার জমিটিও ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।’